কবিতা

ঝোড়ো গান

ঝোড়ো গান – কাজী নজরুল ইসলাম (আমি) চাইনে হতে ভ্যাবাগঙ্গারামও দাদা শ্যাম!তাই গান গাই আর যাই নেচে যাইঝম্‌ঝমা্‌ঝম্ অবিশ্রাম ॥ আমি সাইক্লোন আর তুফানআমি দামোদরের বানখোশখেয়ালে উড়াই ঢাকা, ডুবাই বর্ধমান।আর শিবঠাকুরকে কাঠি করে বাজাই ব্রহ্মা-বিষ্ণু-ড্রাম॥

ঝোড়ো গান Read More »

ও বাবা !

ও বাবা ! -সুকুমার রায় পড়তে বসে মুখের পরে কাগজ খানি থুয়েরমেশ ভায়া ঘুমোয় পড়ে আরাম ক’রে শুয়ে।শুনছ নাকি ঘড়র্ ঘড়র্ নাক ডাকার ধুম?সখ যে বড় বেজায় দেখি- দিনের বেলায় ঘুম! বাতাস পোরা এই যে থলি দেখ্‌ছ আমার হাতে,দুড়ম করে পিট্‌লে পরে শব্দ হবে তাতে।রমেশ ভায়া আঁতকে উঠে পড়বে কুপোকাৎলাগাও তবে -ধুম ধাড়াক্কা! ক্যাবাৎ! ক্যাবাৎ! ও বাবারে!

ও বাবা ! Read More »

 কত বড়

কত বড় -সুকুমার রায় ছোট্ট সে একরতি ইঁদুরের ছানা,ফোটে নাই চোখ তার, একেবারে কানা।ভাঙা এক দেরাজের ঝুলমাখা কোণেমার বুকে শুয়ে শুয়ে মার কথা শোনে। যেই তার চোখ ফোটে সেই দেখে চেয়ে-দেরাজের ভারি কাঠ চারিদিক ছেয়ে।চেয়ে বলে মেলি তার গোল গোল আঁখি-“ওরে বাবা! পৃথিবীটা এত বড় নাকি?”

 কত বড় Read More »

কলিকাতা কোথা রে

কলিকাতা কোথা রে -সুকুমার রায় গিরিধি আরামপুরী, দেহ মন চিৎপাত,খেয়ে শুয়ে হু হু করে কেটে যায় দিনরাত;হৈ চৈ হাঙ্গামা হুড়োতাড়া হেথা নাই;মাস বার তারিখের কোন কিছু ল্যাঠা নেই;খিদে পেলে তেড়ে খাও, ঘুম পেলে ঘুমিও-মোট কথা, কি আরাম, বুঝলে না তুমিও !ভুলেই গেছিনু কোথা এই ধরা মাঝেতেআছে যে শহর এক কলকাতা নামেতে-হেন কালে চেয়ে দেখি চিঠি

কলিকাতা কোথা রে Read More »

কহ ভাই কহ রে

কহ ভাই কহ রে -সুকুমার রায় কহ ভাই কহ রে, অ্যাঁকা চোরা শহরে, বদ্যিরা কেন কেউ আলুভাতে খায় না?লেখা আছে কাগজে আলু খেলে মগজেঘিলু যায় ভেস্তিয়ে বুদ্ধি গজায় না।

কহ ভাই কহ রে Read More »

কাঁদুনে

কাঁদুনে -সুকুমার রায় ছিঁচ্ কাঁদুনে মিচ্‌কে যারা শস্তা কেঁদে নাম কেনে, ঘ্যাঙায় শুধু ঘ্যার্ন ঘ্যার্ন ঘ্যান্ঘ্যানে আর প্যান্‌প‌্যানে- কুঁকিয়ে কাঁদে খিদের সময়, ফুঁপিয়ে কাঁদে ধম্‌কালে, কিম্বা হঠাৎ লাগলে ব্যথা, কিম্বা ভয়ে চমকালে; অল্পে হাসে অল্পে কাঁদে কান্না থামায় অল্পেতেই , মায়ের আদর দুধের বোতল কিম্বা দিদির গল্পেতেই – তারেই বলি মিথ্যে কাঁদন; আসল কান্না শুন্‌বে

কাঁদুনে Read More »

কবলিত মানচিত্রে

কবলিত মানচিত্রে -আবিদ আনোয়ার আমারও মগজে ব’সে কদাকার চঞ্চু ঠোকে শতকের চিল তবু কোনো অন্তর্গত বাঁচার আবেগে আমি ঠিক সেরে উঠি দুর্ঘটনা-কবলিত পেশীর নিয়মে– সেরে গেছে প্রমিথিউস, বৃক্ষের বাড়ন্ত কোষ দিনে-দিনে ঢেকে ফেলে তাবৎ খোড়ল। যে-নারী যুদ্ধের কাছে তার প্রিয় পুরুষ হারালো সেও ঠিক ফিরে গেছে অন্য কোনো নায়কের ঘরে; জীবনের গতিধারা রূখতে পারে না

কবলিত মানচিত্রে Read More »

প্রতিশোধ

প্রতিশোধ -আবিদ আনোয়ার মনে আছে? আমাদের ফিটফাট পারিপাট্যে হাগু করে দিয়েছিলো একটি উড়ন্ত পাখি! এক অস্ত্রে জোড়াখুন–সেই দুঃখে বিষণœ নগরী যেন মধ্যরাতে লিবিয়ার প্রশান্ত আকাশে ভয়াল ডিমের খোসা খুলে দিয়ে এইমাত্র উড়ে গেলো রিগানের ঈগল বাহিনী। বিরক্তিতে বলে উঠি: ‘পাখি’ এই শব্দ দিয়ে আর কোনো কবিতা লিখবো না। শুনে তুমি হেসে বললে: পাখির কী আসে

প্রতিশোধ Read More »

যা তুই ফিরে যা পাখি

যা তুই ফিরে যা পাখি -আবিদ আনোয়ার আমার ডাকনাম ধরে ডেকে ওঠে সুদূরের পাখি অমর্ত্য যমজ ভগ্নি সে আমার কালো সহোদরা জন্মলগ্নে এই হাতে বেঁধে দিয়ে রাখী অচেনা সুদূর কোন্ মায়ালোকে উড়ে গেছে অনঙ্গ অধরা। আমি একা বেড়ে উঠি রূপে-রসে মত্ত যুবরাজ পেরিয়ে মায়ের স্নেহ, লালচক্ষু পিতার শাসন স্বরচিত সংবিধানে গড়ে নিয়ে রঙিন স্বরাজ একে

যা তুই ফিরে যা পাখি Read More »

অ্যাকুরিয়াম

অ্যাকুরিয়াম -আবিদ আনোয়ার জলেই থাকি কিন্তু তবু মাছের থেকে দূরে ঘর বেঁধেছি স্বচ্ছ বালি, জলজ ক্যাকটাসে; রুই-কাতল ও টাকির মেকি ফেনানো বুদ্বুদে মন মজেনি, ঘুচাতে চাই মীনের পরিচয়। আমার ঘরে নৈশব্দ্যও শব্দ থেকে দামী: ফ্রাই উপমা, সিদ্ধ ধ্বনি, কল্পনা চচ্চরি, প্রতীক-পরাস্বপ্নে চলে অলীক খাওয়া-দাওয়া; যুগান্তরের পোশাক প’রে ঢুকছে যুগের হাওয়া! আমার ঘরে আসলে তুমি পেরিয়ে

অ্যাকুরিয়াম Read More »