কবিতা

অতীতের ছবি – পর্ব ২

অতীতের ছবি – পর্ব ২ -সুকুমার রায় কালচক্রে হায় এমন দেশে ঘোর দুঃখদিন আসিল শেষে।দশদিকে হতে আঁধার আসিভারত আকাশ ফেলিল গ্রাসি।কোথা সে প্রাচীন জ্ঞানের জ্যোতি,সত্য অন্বেষণে গভীর মতি ;কোথা ব্রহ্মজ্ঞান সাধন ধন,কোথা ঋষিগণ ধ্যানে মগন;কোথা ব্রহ্মচারী তাপস যত,কোথা সে ব্রাহ্মণ সাধনা রত?একে একে সবে মিলাল কোথা,আর নাহি শুনি প্রাচীন কথা।মহামূল্য নিধি ঠেলিয়া পায়হেলায় মানুষ হারাল […]

অতীতের ছবি – পর্ব ২ Read More »

অতীতের ছবি – পর্ব ১

অতীতের ছবি – পর্ব ১ -সুকুমার রায় ছিল এ ভারতে এমন দিনমানুষের মন ছিল স্বাধীন ;সহজ উদার সরল প্রাণেবিস্ময়ে চাহিত জগত পানে।আকাশে তখন তারকা চলে,নদী যায় ভেসে, সাগর টলে,বাতাস ছুটিছে আপন কাজে,পৃথিবী সাজিছে নানান সাজে ;ফুলে ফলে ছয় ঋতুর খেলা,কত রূপ কত রঙের মেলা;মুখরিত বন পাখির গানে,অটঁল পাহাড় মগন ধ্যানে;নীলকাশে গন মেঘের ঘটাঁ,তাহে ইন্দ্রধনু বিজলী

অতীতের ছবি – পর্ব ১ Read More »

অন্ধ মেয়ে

অন্ধ মেয়ে -সুকুমার রায় গভীর কালো মেঘের পরে রঙিন ধনু বাঁকা,রঙের তুলি বুলিয়ে মেঘে খিলান যেন আঁকা!গবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতিরঙিন্ বেশে রঙিন্ ফুলে রঙিন্ প্রজাপতি! অন্ধ মেয়ে দেখ্ছে না তা – নাইবা যদি দেখে-শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরয কোলাকুলিমিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!দুঃখ সুখের

অন্ধ মেয়ে Read More »

পঁচিশে বৈশাখের উদ্দেশে

পঁচিশে বৈশাখের উদ্দেশে – সুকান্ত ভট্টাচার্য আমার প্রার্থনা শোনো পঁচিশে বৈশাখ,আর একবার তুমি জন্ম দাও রবীন্দ্রনাথের।হাতাশায় স্তব্ধ বাক্য; ভাষা চাই আমরা নির্বাক,পাঠাব মৈত্রীর বাণী সারা পৃথিবীকে জানি ফের।রবীন্দ্রনাথের কণ্ঠে আমাদের ভাষা যাবে শোনাভেঙে যাবে রুদ্ধশ্বাস নিরুদ্যম সুদীর্ঘ মৌনতা,আমাদের দুঃখসুখে ব্যক্ত হবে প্রত্যেক রচনা।পীড়নের প্রতিবাদে উচ্চারিত হবে সব কথা। আমি দিব্যচক্ষে দেখি অনাগত সে রবীন্দ্রনাথ;দস্যুতায় দৃপ্তকণ্ঠ (বিগত

পঁচিশে বৈশাখের উদ্দেশে Read More »

অবুঝ

অবুঝ -সুকুমার রায় চুপ করে থাক্, তর্ক করার বদভ্যাসটি ভাল না, এক্কেবারেই হয় না ওতে বুদ্ধিশক্তির চালনা।দেখ্ ত দেখি আজও আমার মনের তেজটি নেভেনি-এইবার শোন বলছি এখন- কি বলছিলাম ভেবেনি!বলছিলাম কি, আমি একটা বই লিখেছি কবিতার,উচু রকম পদ্যে লেখা আগাগোড়াই সবি তার ।তাইতে আছে “দশমুখে চায়,হ জম করে দশোদর,শ্মশানঘাটে শষপানি খায় শশব্যস্ত শশধর।”এই কথাটার অর্থ

অবুঝ Read More »

পরিশিষ্ট

পরিশিষ্ট – সুকান্ত ভট্টাচার্য অনেক উল্কার স্রোত বয়েছিল হঠাৎ প্রত্যুষে.বিনিদ্র তারার বে পল্লবিত মেঘছুঁয়েছিল রশ্মিটুকু প্রথম আবেগে।অকস্মাৎ কম্পমান অশরীরী দিন,রক্তের বাসরঘরে বিবর্ণ মৃত্যুর বীজছড়াল আসন্ন রাজপথে।তবু স্বপ্ন নয়ঃগোদূলীর প্রত্যহ ছায়ায়গোপন স্বার সৃষ্টি কচ্যুত গ্রহ-উপবনেঃদিগন্তের নিশ্চল আভাস।ভস্মীভূত শ্মশানক্রন্দনে,রক্তিম আকাশচিহ্ন সবেগে প্রস্থান করেযূথ ব্যঞ্জনায়। নিষিদ্ধ কল্পনাগুলি বন্ধ্যা তবুঅলক্ষ্যে প্রসব করে অব্যক্ত যন্ত্রণা,প্রথম যৌবন তার রক্তময় রিক্ত জয়টীকাস্তম্ভিত জীবন

পরিশিষ্ট Read More »

অসম্ভব নয়!

অসম্ভব নয়! -সুকুমার রায় এক যে ছিল সাহেব, তাহার গুণের মধ্যে নাকের বাহার।তার যে গাধা বাহন, সেটাযেমন পেটুক তেমনি ঢ্যাঁটা।ডাইনে বল্‌লে যায় সে বামেতিন পা যেতে দুবার থামে ।চল্‌তে চল্‌তে থেকে থেকেখানায় খন্দে পড়ে বেঁকে।ব্যাপার দেখে এম্নিতরোসাহেব বললে “সবুর করো-মাম্‌দোবাজি আমার কাছে?এ রোগেরও ওষুধ আছে।”এই না বলে ভীষন ক্ষেপেগাধার পিঠে বস্‌ল চেপেমুলোর ঝুটি ঝুলিয়ে নাকেআর

অসম্ভব নয়! Read More »

আকাশের গায়ে

আকাশের গায়ে -সুকুমার রায় আকাশের গায়ে কিবা রামধনু খেলে, দেখে চেয়ে কত লোক সব কাজ ফেলে;তাই দেখে খুঁৎ-ধরা বুড়ো কয় চটে,দেখছ কি, এই রং পাকা নয় মোটে।।

আকাশের গায়ে Read More »

মীমাংসা

মীমাংসা – সুকান্ত ভট্টাচার্য আজকে হঠাৎ সাত-সমুদ্র তের-নদীপার হতে সাধ জাগে মনে, হায় তবু যদিপক্ষপাতের বালাই না নিয়ে পক্ষীরাজপ্রস্রবণের মতো এসে যেত হঠাৎ আজ-তাহলে না হয় আকাশ বিহার হত সফল,টুকরো মেঘেরা যেতে যেতে ছুঁয়ে যেত কপোল। আর আমি বুঝি দৈত্যদলনে সাগর পারহতাম; যেখানে দানবের দায়ে সব আঁধার।মত্ত যেখানে দৈত্যে দৈত্যে বিবাদ ভারি;হানাহানি নিয়ে সুন্দরী এক রাজকুমারী।(রাজকন্যার

মীমাংসা Read More »

আজব খেলা

আজব খেলা -সুকুমার রায় সোনার মেঘে আল্‌তা ঢেলে সিঁদুর মেখে গায় সকাল সাঝেঁ সূর্যি মামা নিত্যি আসে যায়।নিত্যি খেলে রঙের খেলা আকাশ ভ’রে ভ’রেআপন ছবি আপনি মুছে আকে নতুন করে।ভোরের ছবি মিলিয়ে দিল দিনের আলো জ্বেলেসাঁঝের আঁকা রঙিন ছবি রাতের কালি ঢেলে।আবার আঁকে আবার মোছে দিনের পরে দিনআপন সাথে আপন খেলা চলে বিরামহীন।ফরায় না কি

আজব খেলা Read More »