একটি মেয়ের জন্য

একটি মেয়ের জন্য -রুদ্র গোস্বামী একা ফুটপাথ আলো ককটেল ভিজে নাগরিক রাত পদ্য। তুই হেঁটে যাস কাঁচ কুয়াশায় জল ভ্রূণ ভাঙা চাঁদ সদ্য। আমি প্রশ্ন তুই বিস্ময় চোখ চশমার নীচে বন্ধ। ঠোঁট নির্বাক চাওয়া বন্য আমি ভুলে যাই দ্বিধা দ্বন্দ্ব। জাগা রাত্রি ঘুম পস্তায় মোড়া রূপকথা পিচ রাস্তা পোষা স্বপ্ন ছিঁড়ে ছারখার প্রিয় রিংটোন লাগে […]

একটি মেয়ের জন্য Read More »

অসুখ

অসুখ -রুদ্র গোস্বামী আজকাল কি যে উল্টোপাল্টা বায়না শিখেছে ওযখন তখন এসে বলবে, ওর একটা আকাশ চাই।আর আমিও বোকার মতো সব কাজ ফেলেওর চোখের মাপের আকাশ খুঁজতে থাকি!শুধু কী তাই! তাতেও আবার ওর আপত্তি।এটাতে বলে মেঘ ভরতি তো ওটাতে একঘেয়ে আলো।গোধূলি আকাশ দেখলেই ও আবার লজ্জায় মরে যায়।আমার হয়েছে জ্বালা, মেঘ থাকবে না রোদ থাকবে

অসুখ Read More »

মশাল

মশাল -রুদ্র গোস্বামী কন্যা সন্তান প্রসব করার অপরাধেআসামের যে মেয়েটাকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল ?আজ তার মৃত্যু বার্ষিকী।যে কবি সেদিন তার নিরানব্বইতম কবিতাটিমেয়েটাকে উৎসর্গ করেছিলেন,তিনি এখন তার প্রিয় পাঠিকার অনুরোধে লিখছেন বসন্ত গল্প।যে সংবাদপত্র গুলো সেদিন ফলাও করে ছেপেছিলমেয়েটার গনগনে আর্তনাদ ,তাদের প্রত্যেকটা ক্যামেরার ফ্লাশআজ তাক করে দাঁড়িয়ে আছে বুদ্ধিজীবী সম্বর্ধনা মঞ্চ ।যে অধ্যাপক তার অনুগত

মশাল Read More »

প্রেমিক হতে গেলে

প্রেমিক হতে গেলে -রুদ্র গোস্বামী ওই যে ছেলেটাকে দেখছ, পছন্দ মতো ফুল ফুটল না বলে মাটি থেকে উপড়ে ছুঁড়ে ফেলে দিলো গাছটাকে ?ছেলেটার ভীষণ জেদ , ও কখনও প্রেমিক হতে পারবে না ।এই তো সেদিন কাঁচের জানালা দিয়ে রোদ ঢুকছিল বলেকাঁচওয়ালার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে কী বকা !কাঁচওয়ালাতো থ’ !সাদা কাঁচে রোদ ঢুকবে না এমন আবার

প্রেমিক হতে গেলে Read More »

আমার এ-ভয় অন্যরকম

আমার এ-ভয় অন্যরকম -অসীম সাহা তোমরা সবাই ভয় পাও এই বাইরে যেতে দুয়ার খুলে বাইরে যেতে পথ পেরোতে গাড়ির ভিড়ে বড়ো রাস্তা পার হতে যেই পা বাড়ালে ভয় পাও এই আগুন দেখে বারুদ দেখে দোজখ দেখে ভীষণ রকম গজব দেখে খোদাতালার তোমরা সবাই ভয় পাও এই দাঙ্গা দেখে মড়ক লাগলে মহামারী এমনি কিছুর ভয় পাও

আমার এ-ভয় অন্যরকম Read More »

তোমাকে ছাড়া

তোমাকে ছাড়া -অসীম সাহা তুমি যখন আমার কাছে ছিলে তখন গাছের কাছে গেলে আমার ভীষণ আনন্দ বোধ হতো লতাপাতার উৎসাহ দেখে আমি সারাদিন তার কাছে ঘুরে বেড়াতাম কোনো কোনো দেন পাখিদের বাষভূমিতে আমার অনেক উপাখ্যান শোনা হতো তুমি যখন আমার কাছে ছিলে তখন প্রত্যহ সূর্যোদয় দেখতে যেতাম তোমাদের বাড়ির পুরনো ছাদে তোমার সেই যে দজ্জাল

তোমাকে ছাড়া Read More »

ফিরে দাও রাজবংশ

ফিরে দাও রাজবংশ -অসীম সাহা দূতাবাসে উড়ছে পতাকা অর্থাৎ স্বাধীন আমরা এ-কথা মানতেই হয়, রাষ্ট্রীয় সনদ আছে দেশে দেশে আমরা স্বাধীন; তবু মনে হয় এ যুগে কোথাও কোনো স্বাধীনতা নেই, বরং এ যুগে মানুষ যেন পোষমানা দুর্বল মহিষ, নিজের যৌবন আজ তার কাছে সবচেয়ে বড়ো অপরাধ, নিজের বিরেক আজ তার সবচেয়ে বিদগ্ধ কসাই; যেখানেই বলো

ফিরে দাও রাজবংশ Read More »

স্পর্শ

স্পর্শ -অসীম সাহা তোমার শরীরে হাত আকাশ নীলিমা স্পর্শ করে ভূমণ্ডল ছেয়ে যায় মধ্যরাতে বৃষ্টির মতন মুহূর্তে মিলায় দুঃখ, দুঃখ আমাকে মিলায় জলের অতল থেকে জেগে ওঠে মগ্ন চরাচর দেশ হয় দেশ, নদী হয় পূনর্বার নদী নৈঃশব্দ্য নিরুণ হাতে করতালি দেয় নিসর্গ উন্মুক্ত করে সারাদেহে নগ্ন শরীর কোন খানে রাখি তুলে দেহের বিস্তার তোমার শরীরে

স্পর্শ Read More »

আজীবন একই চিঠি

আজীবন একই চিঠি -অসীম সাহা নখরে জ্বালিয়ে রাখি লক্ষ্যের দীপ্র ধনুক যেন এক শব্দের নিষাদ এই নির্মল নিসর্গে বসে কাঁদি, তবু সেই নির্মম শব্দাবলী ছিঁড়ে আনতে পারি না বলে সুতীক্ষ্ণ অনুযোগ হতে অব্যাহতি দিন; এই শোকের শহরে আমি যার কাছে চাই ফুল, কিছু মনোরম শোভা, যেসবের বিসতৃত বর্ণনা আমি আপনাকে লিখতে পারি, সে আমার হাতে

আজীবন একই চিঠি Read More »

কত ভালবাসি

কত ভালবাসি – কামিনী রায় জড়ায়ে মায়ের গলা শিশু কহে আসি,- “মা, তোমারে কত ভালোবাসি!” “কত ভালবাস ধন?” জননী শুধায়। “এ-ত।” বলি দুই হাত প্রসারি’ দেখায়। “তুমি মা আমারে ভালবাস কতখানি?” মা বলেন “মাপ তার আমি নাহি জানি।” “তবু কতখানি, বল।” “যতখানি ধরে তোমার মায়ের বুকে।” “নহে তার পরে?” “তার বাড়া ভালবাসা পারি না বাসিতে।”

কত ভালবাসি Read More »