দেশের বাণী

দেশের বাণী -কায়কোবাদ কে আর বুঝিবে হায় এ দেশের বাণী?   এ দেশের লোক যারা,   সকলইতো গেছে মারা,   আছে শুধু কতগুলি শৃগাল শকুনি!   সে কথা ভাবিতে হায়   এ প্রাণ ফেটে যায়,   হৃদয় ছাপিয়ে উঠে – চোখ ভরা পানি।   কে আর বুঝিবে হায় এ দেশের বাণী!   এ দেশের লোক যত   বিলাস ব্যসনে রত   এ দেশের দুঃখ কিছু […]

দেশের বাণী Read More »

 আযান

আযান -কায়কোবাদ কে ওই শোনাল মোরে আযানের ধ্বনি।   মর্মে মর্মে সেই সুর, বাজিল কি সুমধুর   আকুল হইল প্রাণ, নাচিল ধমনী।   কি মধুর আযানের ধ্বনি!   আমি তো পাগল হয়ে সে মধুর তানে,   কি যে এক আকর্ষণে, ছুটে যাই মুগ্ধমনে   কি নিশীথে, কি দিবসে মসজিদের পানে।   হৃদয়ের তারে তারে, প্রাণের শোণিত-ধারে,   কি যে এক ঢেউ উঠে ভক্তির

 আযান Read More »

মুহূর্তের কবিতা

মুহূর্তের কবিতা -ফররুখ আহমদ সময়-শাশ্বত, স্থির। শুধু এই খঞ্জন চপল গতিমান মুহূর্তেরা খর স্রোতে উদ্দাম, অধীর মৌসুমী পাখীর মতো দেখে এসে সমুদ্রের তীর, সফেদ, জরদ, নীল বর্ণালিতে ভরে পৃথ্বীতল। সন্ধ্যাগোধূলির রঙে জান্নাতের এই পাখী দল জীবনের তপ্ত শ্বাসে, হৃদয়ের সান্নিধ্যে নিবিড়, অচেনা আকাশ ছেড়ে পৃথিবীতে করে আসে ভীড়; গেয়ে যায় মুক্তকণ্ঠে মৃত্যুহীন সঙ্গীত উচ্ছল। মুহূর্তের

মুহূর্তের কবিতা Read More »

পাঞ্জেরি

পাঞ্জেরি -ফররুখ আহমদ রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি? এখনো তোমার আসমান ভরা মেঘে? সেতারা, হেলাল এখনো ওঠেনি জেগে? তুমি মাস্তলে, আমি দাঁড় টানি ভুলে; অসীম কুয়াশা জাগে শূন্যতা ঘেরি। রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি? দীঘল রাতের শ্রান্তসফর শেষে কোন দরিয়ার কালো দিগন্তে আমরা পড়েছি এসে? এ কী ঘন-সিয়া জিন্দেগানীর বা’ব তোলে মর্সিয়া ব্যথিত দিলের তুফান-শ্রান্ত

পাঞ্জেরি Read More »

বৃষ্টির ছড়া

বৃষ্টির ছড়া -ফররুখ আহমদ বৃষ্টি এল কাশ বনে জাগল সাড়া ঘাস বনে, বকের সারি কোথা রে লুকিয়ে গেল বাঁশ বনে। নদীতে নাই খেয়া যে, ডাকল দূরে দেয়া যে, কোন সে বনের আড়ালে ফুটল আবার কেয়া যে। গাঁয়ের নামটি হাটখোলা, বিষটি বাদল দেয় দোলা, রাখাল ছেলে মেঘ দেখে, যায় দাঁড়িয়ে পথ-ভোলা। মেঘের আঁধার মন টানে, যায়

বৃষ্টির ছড়া Read More »

ঝুমকো জবা

ঝুমকো জবা -ফররুখ আহমদ ঝুমকো জবা বনের দুল উঠল ফুটে বনের ফুল। সবুজ পাতা ঘোমটা খোলে, ঝুমকো জবা হাওয়ায় দোলে। সেই দুলুনির তালে তালে, মন উড়ে যায় ডালে ডালে।

ঝুমকো জবা Read More »

ঝরোকা

ঝরোকা -ফররুখ আহমদ সকল রুদ্ধ ঝরোকা খুলে দাও খুলে দাও সকল রুদ্ধ দরোজা। আসুক সাত আকাশের মুক্ত আলো আর উচ্ছল আনন্দের মত বাগে এরেমের এক ঝাঁক মৌমাছি .. .. যেন এই সব পাথরের ফুলের মাঝখান থেকে আমি চিনে নিতে পারি রক্তমনির চেয়েও লাল সুনভিত একটি তাজা রক্ত গোলাপ; আমার ব্যথিত আত্মা আর্তনাদ করে উঠলো দাউদের

ঝরোকা Read More »

আমি কোনো আগন্তুক নই  

আমি কোনো আগন্তুক নই -আহসান হাবীব আসমানের তারা সাক্ষী সাক্ষী এই জমিনের ফুল, এই নিশিরাইত বাঁশবাগান বিস্তর জোনাকি সাক্ষী সাক্ষী এই জারুল জামরুল, সাক্ষী পূবের পুকুর, তার ঝাকড়া ডুমুরের পালেস্থিরদৃষ্টি মাছরাঙা আমাকে চেনে আমি কোনো অভ্যাগত নই খোদার কসম আমি ভিনদেশী পথিক নই আমি কোনো আগন্তুক নই আমি কোনো আগন্তুক নই, আমি ছিলাম এখানে, আমি

আমি কোনো আগন্তুক নই   Read More »

যে পায় সে পায়

যে পায় সে পায় -আহসান হাবীব তুমি ভালো না বাসলেই বুঝতে পারি ভালোবাসা আছে। তুমি ভালো না বাসলেই ভালোবাসা জীবনের নাম, ভালোবাসা ভালোবাসা বলে দাঁড়ালে দু’হাত পেতে ফিরিয়ে দিলেই বুঝতে পারি ভালোবাসা আছে। না না বলে ফেরালেই বুঝতে পারি ফিরে যাওয়া যায় না কখনো। না না বলে ফিরিয়ে দিলেই ঘাতক পাখির ডাক শুনতে পাই চরাচরময়।

যে পায় সে পায় Read More »

অসুখ

অসুখ -আহসান হাবীব আমি বড় অসুখী। আমার আজন্ম অসুখ। না না অসুখে আমার জন্ম। এই সব মোহন বাক্যের জাল ফেলে পৃথিবীর বালক-স্বভাব কিছু বয়স্ক চতুর জেলে মানব-সাগরে। সম্প্রতি উদ্দাম হাতে নৌকো বায়। আমরা বিমূঢ়। কয়েকটি যুবক এই অসুখ-অসুখ দর্শনের মিহি তারে গেঁথে নিয়ে কয়েকটি যুবতী হঠাৎ শৈশবে গেলো ফিরে এবং উন্মুক্ত মাঠে সভ্যতার কৃত্রিম ঢাকনায়

অসুখ Read More »