অতীতের ছবি – পর্ব ৩

অতীতের ছবি – পর্ব ৩ -সুকুমার রায় এখনও গভীর তমসা রাতি,ভারত ভবনে নিভিছে বাতি -মানুষ না দেখি ভারতভূমে,সবাই মগন গভীর ঘুমে।কত জাতি আজ হেলার ভরেহেথায় আসিয়া বসতি করে।ভারতের বুকে নিশান গাথিবসেছে সবলে আসন পাতি।নিজ ধনমান নিজ বিভববিদেশীর হাতে সঁপিয়া সব,ভারতের মুখে না ফুটে বাণী,মৌন রহে দেশ শরম মানি। -হেনকালে শুন ভেদি আঁধারসুগম্ভীর বানী উঠিল কার-“ভাব […]

অতীতের ছবি – পর্ব ৩ Read More »

অতীতের ছবি – পর্ব ২

অতীতের ছবি – পর্ব ২ -সুকুমার রায় কালচক্রে হায় এমন দেশে ঘোর দুঃখদিন আসিল শেষে।দশদিকে হতে আঁধার আসিভারত আকাশ ফেলিল গ্রাসি।কোথা সে প্রাচীন জ্ঞানের জ্যোতি,সত্য অন্বেষণে গভীর মতি ;কোথা ব্রহ্মজ্ঞান সাধন ধন,কোথা ঋষিগণ ধ্যানে মগন;কোথা ব্রহ্মচারী তাপস যত,কোথা সে ব্রাহ্মণ সাধনা রত?একে একে সবে মিলাল কোথা,আর নাহি শুনি প্রাচীন কথা।মহামূল্য নিধি ঠেলিয়া পায়হেলায় মানুষ হারাল

অতীতের ছবি – পর্ব ২ Read More »

অতীতের ছবি – পর্ব ১

অতীতের ছবি – পর্ব ১ -সুকুমার রায় ছিল এ ভারতে এমন দিনমানুষের মন ছিল স্বাধীন ;সহজ উদার সরল প্রাণেবিস্ময়ে চাহিত জগত পানে।আকাশে তখন তারকা চলে,নদী যায় ভেসে, সাগর টলে,বাতাস ছুটিছে আপন কাজে,পৃথিবী সাজিছে নানান সাজে ;ফুলে ফলে ছয় ঋতুর খেলা,কত রূপ কত রঙের মেলা;মুখরিত বন পাখির গানে,অটঁল পাহাড় মগন ধ্যানে;নীলকাশে গন মেঘের ঘটাঁ,তাহে ইন্দ্রধনু বিজলী

অতীতের ছবি – পর্ব ১ Read More »

অন্ধ মেয়ে

অন্ধ মেয়ে -সুকুমার রায় গভীর কালো মেঘের পরে রঙিন ধনু বাঁকা,রঙের তুলি বুলিয়ে মেঘে খিলান যেন আঁকা!গবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতিরঙিন্ বেশে রঙিন্ ফুলে রঙিন্ প্রজাপতি! অন্ধ মেয়ে দেখ্ছে না তা – নাইবা যদি দেখে-শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরয কোলাকুলিমিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!দুঃখ সুখের

অন্ধ মেয়ে Read More »

অবুঝ

অবুঝ -সুকুমার রায় চুপ করে থাক্, তর্ক করার বদভ্যাসটি ভাল না, এক্কেবারেই হয় না ওতে বুদ্ধিশক্তির চালনা।দেখ্ ত দেখি আজও আমার মনের তেজটি নেভেনি-এইবার শোন বলছি এখন- কি বলছিলাম ভেবেনি!বলছিলাম কি, আমি একটা বই লিখেছি কবিতার,উচু রকম পদ্যে লেখা আগাগোড়াই সবি তার ।তাইতে আছে “দশমুখে চায়,হ জম করে দশোদর,শ্মশানঘাটে শষপানি খায় শশব্যস্ত শশধর।”এই কথাটার অর্থ

অবুঝ Read More »

অসম্ভব নয়!

অসম্ভব নয়! -সুকুমার রায় এক যে ছিল সাহেব, তাহার গুণের মধ্যে নাকের বাহার।তার যে গাধা বাহন, সেটাযেমন পেটুক তেমনি ঢ্যাঁটা।ডাইনে বল্‌লে যায় সে বামেতিন পা যেতে দুবার থামে ।চল্‌তে চল্‌তে থেকে থেকেখানায় খন্দে পড়ে বেঁকে।ব্যাপার দেখে এম্নিতরোসাহেব বললে “সবুর করো-মাম্‌দোবাজি আমার কাছে?এ রোগেরও ওষুধ আছে।”এই না বলে ভীষন ক্ষেপেগাধার পিঠে বস্‌ল চেপেমুলোর ঝুটি ঝুলিয়ে নাকেআর

অসম্ভব নয়! Read More »

আকাশের গায়ে

আকাশের গায়ে -সুকুমার রায় আকাশের গায়ে কিবা রামধনু খেলে, দেখে চেয়ে কত লোক সব কাজ ফেলে;তাই দেখে খুঁৎ-ধরা বুড়ো কয় চটে,দেখছ কি, এই রং পাকা নয় মোটে।।

আকাশের গায়ে Read More »

আজব খেলা

আজব খেলা -সুকুমার রায় সোনার মেঘে আল্‌তা ঢেলে সিঁদুর মেখে গায় সকাল সাঝেঁ সূর্যি মামা নিত্যি আসে যায়।নিত্যি খেলে রঙের খেলা আকাশ ভ’রে ভ’রেআপন ছবি আপনি মুছে আকে নতুন করে।ভোরের ছবি মিলিয়ে দিল দিনের আলো জ্বেলেসাঁঝের আঁকা রঙিন ছবি রাতের কালি ঢেলে।আবার আঁকে আবার মোছে দিনের পরে দিনআপন সাথে আপন খেলা চলে বিরামহীন।ফরায় না কি

আজব খেলা Read More »

আদুরে পুতুল

আদুরে পুতুল -সুকুমার রায় যাদুরে আমার আদুরে গোপাল, নাকটি নাদুস থোপ্‌না গাল, ঝিকিমিকি চোখ মিটমিটি চায় ঠোঁট দুটি তায় টাট্‌কা লাল।মোমের পুতুল ঘুমিয়ে থাকুক দাঁত মেলে আর চুল খুলে-টিনের পুতুল চীনের পুতুল কেউ কি এমন তুলতুলে?গোব্‌দা গড়ন এম্‌নি ধরন আব্‌দারে কেউ ঠোট ফুলোয়?মখমলি রং মিষ্টি নরম – দেখছ কেমন হাত বুলোয়!বলবি কি বল হাব্‌লা পাগল

আদুরে পুতুল Read More »

আনন্দ

আনন্দ -সুকুমার রায় যে আনন্দ ফুলের বাসে, যে আনন্দ পাখির গানে,যে আনন্দ অরুণ আলোয়,যে আনন্দ শিশুর প্রাণে,যে আনন্দ বাতাস বহে,যে আনন্দ সাগরজলে,যে আনন্দ ধুলির কণায়,যে আনন্দ তৃণের দলে,যে আনন্দ আকাশ ভরা,যে আনন্দ তারায় তারায়,যে আনন্দ সকল সুখে,যে আনন্দ রক্তধারায়সে আনন্দ মধুর হয়েতোমার প্রাণে পড়ুক ঝরি,সে আনন্দ আলোর মতথাকুক তব জীবন ভরি।

আনন্দ Read More »